আবদুল্লাহ ইবন মাসলামা যিয়াদ ইবনুল হারিছ আস-সুদাঈ (রা) বলেন, যখন আযানের প্রথম সময় উপনীত হয়, তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম আযান দেয়ার নির্দেশ দিলে আমি আযান দেই। অতঃপর আমি বলি, ইয়া আল্লাহর রাসূলুল্লাহ! আমি ইকামত দিব কি? তখন নবী করীম (সাঃ) পূর্ব দিগন্তের দিকে লক্ষ্য করে বলেনঃ না। অতঃপর পূর্বাকাশ পরিষ্কার হওয়ার পর তিনি তার বাহন হতে অবতরণ করেন। অতঃপর তিনি পেশাব করে আমার নিকট আসেন যখন সাহাবায়ে কিরাম তার চারপাশে উপস্তিত ছিলেন। অতঃপর তিনি উযূ করেন। এ সময় হযরত বিলাল (রা) ইকামত দিতে চাইলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাহ তাকে নিষেধ করে বলেনঃ তোমার ভাই যিয়াদ আস-সুদাঈ আযান দিয়েছে এবং (নিয়ম এই যে,) যে ব্যক্তি আযান দিবে- সেই ইকামত দেওয়ার অধিকারী। রাবী বলেন, অতঃপর আমি ইকামত দেই। [আবু দাউদ হাদিস/৫১৪, পৃষ্ঠা ২৯০] [কিতাবঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন]
আবদুল্লাহ ইবন মাসলামা যিয়াদ ইবনুল হারিছ আস-সুদাঈ (রা) বলেন, যখন আযানের প্রথম সময় উপনীত হয়, তখন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম আযান দেয়ার নির্দেশ দিলে আমি আযান দেই। অতঃপর আমি বলি, ইয়া আল্লাহর রাসূলুল্লাহ! আমি ইকামত দিব কি? তখন নবী করীম (সাঃ) পূর্ব দিগন্তের দিকে লক্ষ্য করে বলেনঃ না। অতঃপর পূর্বাকাশ পরিষ্কার হওয়ার পর তিনি তার বাহন হতে অবতরণ করেন। অতঃপর তিনি পেশাব করে আমার নিকট আসেন যখন সাহাবায়ে কিরাম তার চারপাশে উপস্তিত ছিলেন। অতঃপর তিনি উযূ করেন। এ সময় হযরত বিলাল (রা) ইকামত দিতে চাইলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাহ তাকে নিষেধ করে বলেনঃ তোমার ভাই যিয়াদ আস-সুদাঈ আযান দিয়েছে এবং (নিয়ম এই যে,) যে ব্যক্তি আযান দিবে- সেই ইকামত দেওয়ার অধিকারী। রাবী বলেন, অতঃপর আমি ইকামত দেই। [আবু দাউদ হাদিস/৫১৪, পৃষ্ঠা ২৯০] [কিতাবঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন]
